মঙ্গলবার, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৩

তুমি কি কেবলি কেয়া, নাকি তোমার নামে কারো কেউ আছে?

keya payel
   কেয়া পায়েল : ছবি ফেসবুক থেকে নেওয়া 


 💥 সবার ভালোবাসার পাত্র হয়ে - কে জানত এতো তাড়াতাড়ি অচেনা মুখ চেনা হয়ে উঠবে। ক্ষনিকের পৃথিবীতে -না দেখার, না চেনার মাঝেই যেন অন্যরকম এক অনুভূতি। যে তাঁরা লক্ষ কোটিগুন দূরে সেই তাঁরা কেন এতো সবার প্রিয়, কেন এত জোনাকির আলো দিয়ে যায় অবিরত। জানি ভালোবাসার দূরের মানুষ গুলো এমনি বুঝি হয়। 

"কি কবো হৃদয়েরও কথা, দেখলেই ভাষা হারাই 
এমনও স্বজন তুমি , না দেখে না থাকা যায় 
পাষাণও হৃদয় গলে  ভালোবাসায় ডুবে 
তোমাকে দেখার আশায় ঝলমলে রোদ পূবে 
অচেনা পথিক আর যাবেনা পথ খুঁজতে 
তোমাকে যে চায় তুমি তাকে যদি বুঝতে"
কেয়া পায়েল-নিজেকে ব্যস্ত রেখেছেন তার কাজের মাঝেই। এখন একডন ফুরছত পান না-পরিবার এবং কি নিজেকে সময় দেওয়ার। তবু এর মাঝে আনন্দ বিরাজ করছে। ইতোমধ্যেই সবার মনে ঠিক শক্ত করেই বাসা  বেঁধেছেন কেয়া। কারণ তার মেধা আর পরিশ্রম দুটোই তাকে এগিয়ে নিতে সাহায্য করেছে। আর রূপের কথা কি বলিব- যে তাকে দেখে সে এক নজরেই ফিদা হয়ে যায়।   


তিন তারার ত্রিকোণমিতি.....

 

Mim faria mahi


সুন্দরীর তকমা অনেক আগেই পেয়েছেন এই তিন তাঁরা। মিম তো আবার পরীক্ষিত হাজার বালুকণা থেকে ছেঁকে বের করা মুক্তা। ফারিয়া আর মাহি সেই কাতারে না থাকলেও নিজেদের পরিশ্রম দিয়ে মিমের মতোই ভক্তের সংখ্যা সমানে সমান।  বলা যায় এই তিন কন্যার ত্রিকোণমিতি ভালোই চলছে।  

মঙ্গলবার, ১৭ মে, ২০২২

প্রভা দিয়ে আলোকিত প্রভার পৃথিবী

সুন্দরের প্রভায় প্রভার পৃথিবীর প্রেমে মুগ্ধ সবাই :

Sadia jahan Prova
Sadia jahan Prova


অন্ধকার মুছে যে আলো নিয়ে আসে...সেই প্রভা। কয়েক বছর আগে বাংলা মডেল ও অভিনেত্রীদের দেখতে দেখতে যখন একঘেয়েমি চলে এসেছিলো তখন আলোর দ্যুতি নিয়ে প্রভা ছড়িয়ে দিয়েছিলো আজকের এই প্রভা। যার হাসিতে অন্ধ নানা বয়সীর নানা মানুষ। এমন প্রকৃতির মাঝে বিচরণ এখনো এনেকেরই বাকি। তাই প্রভার গতি আসতে কারোরই বাধা থাকেনা। প্রথম একটি বিজ্ঞাপনের মডেল হয়েই সবার নজরে আসে প্রভা যার হাসি দেখেই মুগ্ধ হয়েছিল সবাই। টাঙানো বিলবোর্ড দেখেই অনেকেই জানতে চেয়েছে কে এই মেয়ে। আর এর পর থেকে শুধু সামনেই এগিয়ে এসেছেন এই প্রভা। 


নিজেকে নানা অভিনয়ের মাধ্যমে ভেঙ্গে অনেক প্রতিকূলতার মাঝেও, যেখানে ঘৃণা ছিল অপরিসীম তার মদ্ধ থেকেও উঠে এসেছেন। এখনো অনেক পাগলপ্রায়  ভক্ত তার নতুন নতুন অভিনয় দেখার জন্য অধীর আগ্রহে  বসে থাকেন। 


"তোমাকে যতবার দেখি কেন জানি বারবার দেখতে মন চায় 
জাদু তো জানোনা কাবু হয়েছি রূপের মায়ায় 
এখন আমি অপলক চেয়ে থাকি তোমার দিকে 
ভালোবাসা আর সাহস পায়না হইতে ফিকে 
কবে তুলে নিবে আমায় তোমার ঘরে 
ডাকবে কবে আমায় তুমি আদর করে"


এক নজরে প্রভার কিছু প্রশ্ন:


  • সাদিয়া জাহান প্রভা কে?  
তিনি একজন বাংলাদেশী মডেল এবং টেলিভিশন অভিনেত্রী 
  • তার জন্ম কত সালে?
সাদিয়া জাহান প্রভার জন্ম-১৩ ফেব্রুয়ারি, ১৯৮৮, শরীয়তপুর জেলায় 
  • প্রভার বাবা মার নাম কি? 
পিতা: নাজমুজ জামান মনি, মাতা: শামীম আকতার জাহান
  • বাবা মায়ের পেশা কি?
মা একজন প্রাক্তন উচ্চাঙ্গ সঙ্গীত শিল্পী এবং বাবা একজন ব্যবসায়ী 
  • প্রভার ভাই-বোন কয়জন?
তার দুই বোন ও এক ভাই রয়েছে
  • প্রভা কত সালে এসএসসি পাশ করেন?
২০০৪ সালে 
  • কত সালে এইসএসসি পাশ করেন?
২০০৬ সালে 
  • প্রভার কলেজের নাম কি?
মোহাম্মদপুর প্রিপারেটরি কলেজ 
  • তার বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম কি?
 শান্ত-মরিয়ম ইউনিভার্সিটি অব ক্রিয়েটিভ টেকনোলজিতে তিনি ২০১১ সালে ফ্যাশন ডিজাইনের উপর পড়ালেখা শুরু করেন। এর আগে তিনি  নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয় এর বিবিএ কোর্সে ভর্তি হন কিন্তু তা শেষ করতে পারেননি জীবনের নানা জটিলতার কারণে। 
  • তার জনপ্রিয় কিছু বিজ্ঞাপনের নাম কি কি?
মেরিল হচ্ছে তার প্রথম বিজ্ঞাপন যা তাকে আজকের প্রভা করতে সাহায্য করেছে, এরপর আছে- তিব্বত, পন্ডস, বাংলালিংক, জুঁই তেল ইত্যাদি 

Sadia Jahan Prova


"বুকের ভেতর মহড়া দেওয়া মানুষ আমার তুমি 
আমার মনের মানুষ হওয়ার যোগ্য সবাই কমি 
তোমায় আমি আদর সোহাগ এতই দেব ভরে 
বাপের বাড়ি যাবে চলে আদরের ডরে 
সত্যি বলছি, তুমি আমার আছো বলেই সুখী 
ঝড় ঝাপ্টা বাদল আসলে একসাথে রুখি 
আমার কিছু হলেই তুমি কান্নায় ঝরাও জল 
তার মানে আমার জন্য তুমি অনেক পাগল"



Sadia Jahan Prova


💝পরতে পরতে তোমার দুচোখ পড়তে চাই 
অনেক আদর দিয়ে ভালোবাসতে চাই 
কিছু কথা মুখোমুখি দাঁড়িয়ে বলতে চাই 
কিছু আনন্দ একসাথে দাঁড়িয়ে দেখতে চাই 
অনেক পথ একসাথে চলতে চাই 
বহুদূর একসাথে হাটতে চাই 
ভুলে যেওনা আমি শুধু তোমাকে চাই 💘


সাদিয়া জাহান প্রভার কিছু সুন্দর মুহূর্ত :




Sadia Jahan Prova
শত বাধা পেরিয়ে নিজের আত্মবিশ্বাসে এগিয়ে যাচ্ছে প্রভা 




Sadia Jahan Prova
বাসায় সাদাসিদে ভাবে থাকতে প্রভার খুব পছন্দ 




Sadia Jahan Prova
অলংকার পড়লে প্রভার এল ছড়িয়ে যায় চারদিক 




Sadia Jahan Prova
অন্যরকম মুহূর্ত তৈরী করতে প্রভার জুড়ি নেই 




Sadia Jahan Prova
মাঝে মাঝে নিজেকে বৌ সাজ দিতে ভালোই লাগে প্রভার। তাই একটু বৌ সাজা 




Sadia Jahan Prova
একদিন ভালোলাগার বেগুনী শাড়িতে নিজেকে সাজিয়েছে প্রভা


উল্লেখ্য, ২০০৫ সালে টেলিভিশন বিজ্ঞাপনের মডেল হয়ে প্রভার ক্যারিয়ার শুরু হয়। আর খুব অল্প সময়ের মধ্যেই দর্শকদের পছন্দের কাতারে আসেন তিনি। কিন্তু পরবর্তীতে তার বিয়ে এবং বিচ্ছেদের কারণে তার অভিনয় ও কর্মজীবন বাধাপ্রাপ্ত হয় যা প্রভা এতোদিনেও কাটিয়ে উঠতে পারেনি। 

বৃহস্পতিবার, ২৫ নভেম্বর, ২০২১

বাহারি সাজনে নজর কাটতে পটু মেহ্জাবিন চৌধুরী

মেহ্জাবিন চৌধুরী


তোমাকে চোখের সামনে রেখে 
সারাদিন আদর সোহাগ মেখে 
বড় না যতনে রেখেছি.....
দিনদিন যাচ্ছি আমি ভেসে 
তোমাকেই অনেক ভালোবেসে 
জানো কি কত কাছে আছি.....

সেলেব্রেটিরা কেন এতো বেশি মানুষের কাছের বলে মনে হয়। কেনই বা তাদের খুব কাছের একজন করতে ইচ্ছে করে --এসব প্রশ্ন অনেকের কাছে।  কারণ সেলেব্রেটিদের মানুষ নিজের স্বপ্নের মানুষ মনে করে। আল্লাহর দেওয়া গুনে গুনান্নিত হয়ে উঠা সেই ব্যাক্তিটা সত্যি খুব ভাগ্যবান। তেমনি ভাগ্য নিয়ে জন্মিয়েছেন মেহজাবিন চৌধুরী। 


লাক্স থেকে উঠে আশা মেহজাবিন অত্যন্ত মেধাবী, পরিশ্রমী, সর্বোপরি কর্মঠ। বাংলা নাটকে সমান তালে নিজের মুন্সিগিরি দেখিয়ে অলরেডি প্রত্যেকের মনে খুব শক্ত জায়গা করে নিয়েছে।  নাটকে একেক ধরণের, একেক রমকমের চরিত্রে অভিনয় করে নিজের সুন্দর্য, আর নিজের গুনকে আরো বেশি ভরাট করে তুলছে। মেহজাবিন পোশাকে ছাড় দিতে একচুলও রাজি নয়। আর তিনি যেরকমই পোশাক পড়ুকনা কেন তাকে বেশ মানায়। 


লাক্স সুপারস্টার মেহজাবিন বড় ছেলে নাটকের মাধ্যমে বাংলা নাটকের ইতিহাস গড়েন। মেহজাবিন এ পর্যন্ত অনেক পুরস্কার অর্জন করেছে। তার অবয়ব এমন ভাবে গঠিত যে -যেকোনো পোশাকে তাকে  অন্য এক মেহজাবিনে পরিনত করে। তার বাবা গর্বিত মহিউদ্দিন চৌধুরীর তিন মেয়ের বড় হলেন মেহজাবিন। 


পৈতৃক নিবাস চট্টগ্রামে বেড়ে উঠা মেহজাবিনের বিন্দু মাত্র সময় নেই নিজের জন্য -কাজ নিয়ে এতটাই ব্যস্ত থাকেন তিনি আর সময় সুযোগ পেলেই নিজের রূপ চর্যায় মনোযোগী হন তিনি। মজার বিষয় হলো তার জন্ম হয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাতে - সেই সুবাদে অনেকেই তাকে ইরানি পরী বলেও ডাকে। মাঝে মাঝে মন খারাপ হলেও আবার ভালোও লাগে তার -সবার অজান্তেই তাকে ইরানি সুন্দরী উপাধি দিয়েছে তাই। 


প্রেম করছেন কিনা এমন প্রশ্ন শুনতে শুনতে মেহজাবিন তিনেক তাই ক্লান্ত। যদিও অনেকবার চাওর হয়েছে একজন পরিচালকের সাথে তার বিয়ে হয়েছে। কিন্তু এখন পর্যন্ত নিজের মুখ দিয়ে স্বীকার করেনি তিনি যে বিয়ে বা প্রেম করছেন  . সুন্দরী এই তারকার প্রেমে মজে আছেন হাজার কোটি যুবক। সর্বোপরি একটাই চাওয়া মেহজাবিনের তিনি বাংলা নাটকের প্রথম যেমন ইতিহাস গড়েছেন তেমনি শেষ ইতিহাসটাও তিনিই গড়তে চান। 


শনিবার, ১৩ নভেম্বর, ২০২১

সিঁথির সাধ শাড়িতে

shithi



"পরানে মন বান্ধিও আমি রবো মিশিয়া 
তুমি আমার এক পাশে আরেক পাশে দুনিয়া" 

এমনি ছন্দের জাদুতে নিজের ঠোঁট মিলিয়ে গানের ভুবনে নিজেকে হারাতে যার অনেক বেশি সাধ তিনিই সিনথিয়া সিঁথি। মিষ্টি গড়নের সিঁথি সবার কাছে খুব আদরের। নায়িকাদের মতো তার হাসিতেও যেন মুক্ত ঝরে। তাই নিজের গানের সাথে যখন ঠোঁট মেলাতে হয় তখন আর আলাদা করে মডেলের প্রয়োজন হয় না কারণ গায়িকা আর নায়িকা দুটো যে এক সাথেই তিনি। 

সংগীত পরিবারে জন্ম গ্রহণের সুবাদে ছোট বেলা থেকেই গানের হাতেখড়ি হয়েছে তার। অনেক  পরিচিত সংগীত পরিচালক, বড় গায়কের সাথে গান গাওয়ার সৌভাগ্য হয়েছে সিঁথির। টিভি তে উপস্থাপিকা হিসেবেও সুনাম কুড়িয়েছেন সিনথিয়া সিঁথি। শরীলের গড়ন সুন্দর হওয়ায় সিঁথিকে যে কোনো পোশাকে ফিটফাট সুন্দরী লাগে।  কিন্তু সিঁথির পছন্দ শাড়ি। বাঙালী নারীর বদনে শাড়িতেই মানাবে এটাই স্বাভাবিক। তাই বেশির ভাগ সময়ই নিজেকে শাড়ির আদলেই গুছিয়ে রাখেন। 


"প্যান্ট শার্ট জিন্স পরে ঢংওয়ালী 
শাড়িতেই বুঝা যায় তুমি যে বাঙালী "



বুধবার, ২০ অক্টোবর, ২০২১

অবৈধ সম্পর্কে লিপ্ত নোবেল, আছে শোবিজ,ছাত্রী, পতিতাসহ একাধিক নারী

nobel man


Nobel Man: Pic Collected 

নোবেলের কীর্তিকলাপ-

সত্য প্রকাশে আর CTR বাড়াতে অবিচল বাংলাদেশী তুখোড় সাংবাদিকদের কাছে এখন জমা আছে আমাদের আরেক সাহসী বীর মুক্তিমনা মাইনুল আহসান নোবেলের নারী কেলেঙ্কারির বিচ্ছিন্ন প্রমান সামগ্রী। নোবেল ম্যান বেশি বাইরোনা পইড়া যাবা। অবশ্য তিনি এসবের ধার ধারেননা।  কারণ তিনি একজন মহা TRP আর CTR বাড়ানো এক মহান সমালোচিত গায়ক। 

নারীখেকো এই সংগীত শিল্পীর নাম শুনলেই এখন মানুষ অবজ্ঞার চলে হাসি আর নিন্দার তকমা লাগায়। ভাবতে অবাক লাগে কলকাতার সারেগামাপার অনুষ্ঠানে নোবেল যতটা আলোচিত হয়েছিল তার চেয়ে বহুগুনে এখন তিনি ঘৃনালোচিত। জীবন সুরে তাল হারানো এই বারের জালে নোবেলের নতুন কিছু কুকর্মের স্ক্রিনশট এক সূত্র থেকে এসেছে সাংবাদিকদের কাছে।  

এখন পর্যন্ত নোবেল নানা সমাজবিরোধী কাজ করে, অসম্মানসূচক মন্তব্য করে, আবার ব্যক্তিগত বিয়ের বিভিন্ন কারণে একাধিকবার সমালোচিত হয়েছেন।  এতদসত্ত্বেও এবার জানা গেলো নোবেলের লুকিয়ে থাকা মনো বাসনার কথা। আর এই গোপন বাসনা হলো একাধিক নারীর সাথে ভয়াবহ ভাবে অবৈধ সম্পর্কে জড়িয়ে আছেন তিনি। এর সাথে রয়েছে শোবিজ জগতের কয়েকজন অভিনেত্রীও। নোবেলের নারীসঙ্গের তালিকায় যারা যারা রয়েছেন, তাদের মধ্যে বিমান বালা, বিদেশী কোম্পানিতে চাকরিরত নারী, এবং কি অপ্রাপ্তবয়স্ক ইস্কুলছাত্রী সহ আরো বিভিন্ন জন।  





মঙ্গলবার, ১৯ অক্টোবর, ২০২১

অবশেষে পূর্ণিমাও কি বিচ্ছেদের পথে হাঁটছেন? কিসের আভাস দিলেন তিনি !

Purnima

মিডিয়া জগতে বিচ্ছেদ কোনো কাকতালীয় ঘটনা নয়।  বেশির ভাগই জনপ্রিয় অভিনেতা অভিনেত্রীদের জীবনে এই ঘটনা ঘটেছে।  জনসাধারণের তাদের তৈরী ভালোবাসার মানুষগুলোর সাথে ঘটে যাওয়া বিচ্ছেদ নামক শব্দটি শুনতে খুব বেশি একটা প্রস্তুদ নন।  তবুও যখন শুনতে হয় তখন আবার খুব অল্পে সন্তুষ্ট নন অনেকেই। ঘটে যাওয়া পুরো ঘটনায় বুঝতে চান, শুনতে চান।   

নিঃসন্দেহে বাংলাদেশের একজন প্রথম সারির জনপ্রিয় অভিনেত্রী পূর্ণিমা। প্রয়াত নায়ক মান্না থেকে শুরু করে অনেকের সাথে অভিনয় করে  মনিকোঠায় আসন পেতে আছেন দিলারা হানিফ পূর্ণিমা। সোশ্যাল মিডিয়ায় তার ভক্তকুলের হিসাব করলে বুঝা যায় তিনি কতটা জনপ্রিয় একজন অভিনেত্রী।  ১৫ অক্টোবর টুইটারে এক স্ট্যাটাসে সবাই নড়ে চড়ে বসেছেন।  তার দেওয়া স্ট্যাটাস দেখে অনেকেই ভাবছেন --পূনিমাও কি বিচ্ছেদের পথে হাঁটছেন , নাকি গোপনে বিচ্ছেদ নিয়েই ফেলেছেন।  

এমনটা ভাবাই স্বাভাবিক - কারণ মিডিয়ার কেউই বিচ্ছেদ  হবার সময় বলেননা -আসলে কি কারণে বিচ্ছেদ হয় সেটাও সঠিক ভাবে বলেননা --গড বাধা কিছু কথা আছে সেগুলো বলেই মুখে কুলুপ এঁটে বসেন।  

ভেজা কাপড়ে আনমনা আকাশের পানে তাকিয়ে কি যেন ভাবছেন তিনি আর এমন ছবি দিয়েই তার স্ট্যাটাসে লিখেছেন - রাত জেগে কথা বলার তৃষ্ণা.. আর হবে না কখনো… জমে থাকা না বলা কথা বলা হবে না কখনো … সেদিন তো বলেই দিলে কথাই নাকি শেষ হয়না আমার … কথার কোনো সমাপ্তি নেই সমাপ্তি হয় সম্পর্কের ……

তবে কি সত্যি সত্যি পূর্ণিমা তার সম্পর্কের সমাপ্তি টানছেন। পূর্ণিমা এখন সব খোলাসা না করলেও সময়ই একদিন বলে দিবে তিনি কোন পথে কি হয়ে চলছেন। পূর্ণিমা অভিনীত সর্বশেষ মুক্তিপ্রাপ্ত ছবি আয়নাবাজি খ্যাত পরিচালকের ছবি মুন্সিগিরি। সেখানেও পূর্ণিমা বেশ প্রশংসা কুড়িয়েছেন

বুধবার, ১৪ জুলাই, ২০২১

চোখের জাদুতে কুপোকাত করেছে শাকিলা.....

শাকিলা



চোখ দিয়ে এই পৃথিবীর সুন্দর্য উপভোগ করা যায়। আর মায়া ভরা চোখ যার সে কি জানে তার পৃথিবী কত বড়। তার জন্য পাগল প্রায় কত শত চেনা জানা প্রেমিক নাবিক। কোন কবিই কবি হয়ে উঠতে পারেনি যে কিনা চোখ নিয়ে কিছু না লিখে পেরেছে। তাই কবিদের চোখ কিন্তু সরেনা-অপরূপ কথা বলা চোখের সন্ধান পেলে। তাই এই সময়ের আলোচিত মিষ্টি তরুণী মায়া ভরা মুখের মেয়ে মডেল ও অভিনেত্রী #শাকিলা_পারভীন। যবে থেকে মিডিয়াতে পা রেখেছেন একটু কষ্ট হলেও নিজের জায়গা ভালোকরেই শক্ত করে নিয়েছেন। পরিশ্রমী,সৎ, আর ইস্পষ্ট ভাষী শাকিলা তার কাজে একচুলও ছাড় দেননা। 

শাকিলার জন্ম তারিখ নিয়ে অনেকেরই কৌতূহল কারণ প্রিয়  তারকাকে শুভেচ্ছা না জানিয়ে কি থাকা যায়। ৯ জানুয়ারী ১৯৯৫ সালে শাকিলা এই পৃথিবীর আলো দেখে। তার গর্বিত পিতামাতা এমন ফুটফুটে কন্যা সন্তান জন্ম দিয়ে আলোকিত করেছেন বাংলার সংস্কৃতিকে। শাকিলা পারভীন হিসেবে মিডিয়াতে নাম থাকলেও পারিবারিক বন্ধুবান্ধবরা তাকে 'মুক্তি' নামেই ডাকে। 

শাকিলা দর্শকপ্রিয়তা পেয়েছেন বাংলা গানের মডেল হয়ে। মিষ্টি হাসি আর টানাটানা চোখের চাহনি সকলের মন কেড়েছে সহজেই।  এ পর্যন্ত অনেক জনপ্রিয় শিল্পীর গানেই কাজ করেছেন শাকিলা তারমধ্যে বেলাল খান, কাজী শুভ, শাওন সোনওয়ালা, ইমরান, মিলন, মমিন খান, মাহদী সুলতান এবং আরও অনেকে। 

আসলে প্রিয় শাকিলার সম্পর্কে জানার আগ্রহ অনেকেরই একটু বেশিই - একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে অর্থনীতিতে বি.এস.সি. করছেন।  অভিনয়ের পাশাপাশি পড়ালেখা চালিয়ে যাবেন সমান ভাবে। কারণ হিসাবে শাকিলা মনে করেন -একজন ভালো মানুষ হিসেবে গড়ে উঠতে হলে, পড়ালেখাটা অত্যেন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শাকিলা বিশ্বাস করেন সমাজ তথা দেশকে বিশ্বের দরবারে মাথা উঁচু করে দাঁড় করাতে চাইলে শিক্ষার বিকল্প কিছুই হতে পারেনা। 

শনিবার, ৩ জুলাই, ২০২১

অপরূপ চাহনি এভাবে তাকিও না তানহা....

Tania Tanha
Tania Tanha



বাঙালি নারীর কদর সবসময় সারা বিশ্বেই সমান ভাবে মূল্যবান। বাংলাদেশি অভিনেত্রী আর  মডেলদের মধ্যে যে কজন সুন্দরীর তকমা পেয়েছেন তাদের থেকে কোনোভাবেই পিছিয়ে নেই অপ্সরী অপরূপা তানহা তাসনিয়া। যার চাহনিতে কুপোকাত হাজারো প্রমোময় হৃদয়। একটু ভালোবাসা বান্ধা মনে তাকালে তানহার প্রেমে পড়বেনা এমন মানুষ কমই আছে। একবার তাকিয়ে দেখুননা, আপনাকে বলতেই হবে "অপরূপ চাহনি এভাবে তাকিও না তানহা" 

২০১৬ সালে তানহা তাসনিয়া প্রথম সিনেমাতেই সবার নজর করেছেন। এর পর খুব একটা পেছনে তাকাতে হয়নি। পর পর শাকিব খান, আরেফিন শুভর মত তারকাদের সাথে কাজ করার সুযোগ পেয়েছেন। এছাড়াও তিনি বিজ্ঞাপনে আর মিউজিক ভিডিওতে পারদর্শিতার সাথে কাজ করেছেন। তানহা বাংলা নাটকে অভিনয় করছেন অত্যেন্ত দক্ষতার সাথে।  

১৬ আগস্ট ২০১৪ সালে তানহা প্রথম সোশ্যাল মিডিয়ায় যুক্ত হয়েছেন। তার ভ্যারিফাইড ফেইসবুক পেইজে গেলে গেলে দেখা যায় তার ভক্ত কুলের সংখ্যা কত দীর্ঘ। আর তানহা তাসনিয়াও ভুল করেননা তার অনুসারীদের সাথে অভুক্ত রাখতে- প্রতিদিনই শেয়ার করেন তার সুন্দর সুশ্রী মিষ্টি মায়াবী মুখখানা। 

শুক্রবার, ২৫ জুন, ২০২১

অবশেষে পুলিশের চাকরিতে যোগদান পরীমণির...

 

pori moni


                                                            ছবিঃ ফেসবুক থেকে সংগ্রহীত 

আপনি কি মনে মনে অনেক খুশি, যে পরীমনি এবার পুলিশের চাকরিতে যোগদান করেছে।..ঠিক কাজ করেছে, যারা যারা ধর্ষণ কারী তাদের এবার উচিত শিক্ষা হবে। এটা যারা ভাবছে তারা কেমন মানুষ তা আমার। জানা নাই। আসলে ধর্ষণ বলতে আমরা স্বাভাবিক ভাবে বুঝি, একটা মেয়েকে জোরপূর্বক কয়েকজন মিলে সহবাস করেছে। কয়েকজন বললাম এইকারণে কারণ একা কখনো জোরপূর্বক সহবাস করা যায়না। পৃথিবী থেকে অপরাধ কখনো নির্মূল হবেনা- তাই বলে বিচার কাজও বন্ধ রাখা যাবেনা এটাও ঠিক। পরীমণির নস্টালজিক জীবন সম্পর্কে সাধারণ মানুষের ভালোই ধারণা আছে।  তাই ডিজিটাল যোগে খবর ছড়ানোর হিড়িকে একটু বেশিই লেখা লেখি হয়েছে যা শুধু মানুষ দেখেছে আর হেসেছে। কারণ পরীমনিকে ধর্ষণ করা লাগেনা--একটু সিস্টেমে গেলেই পাওয়া যায়। এত কথা বললাম এ কারণে-কারন যাকে মানুষ যেরকম ভাবে তাকে সেরকমই বলা উচিত।  

কেন আইন গুলো এরকম হয়না যে, যা ঘটবে তাই নিয়ে মামলা হবে -তার উপর ভিত্তি করেই বিচার হবে। কেন-মামলা করতে গেলে বানিয়ে বানিয়ে দোষী করতে হয়। পৃথিবী যেদিন স্বশিক্ষায় শিক্ষিত হবে সেদিন মনে হয় এর পরিবর্তন আস্তে পারে। আসলে পরীমনি কাণ্ডে নারীর প্রতি অমানবিকতার প্রতিবাদ কি করবো তা বুঝতে পারছিনা। কারণ আমার আশেপাশে ভালো নারীর প্রতি অবিচার করতে দেখিনি। এ পর্যন্ত পরীমনির কতজন প্রেমিক আর স্বামী বদল হয়েছে তার হিসাব একমাত্র আমাদের কুনামধন্য নায়িকাই দিতে পারবেন। যেমন মা-ই জানে তার সন্তানের বাবা কে।  

বেচারা নাসির উদ্দিন আহমেদ নিশ্চই কোনো পাপ করেছেন তা না হলে নষ্ট মেয়ের নষ্টামিতে আপনার সম্মানহানি হতনা। এই বয়সে এসে সবার সামনে এই বিষয়ে কথা বলাটা সত্যিই অনেক কষ্টের। যাই হোক আপনাদের খুশি করতে পারলাম না কারণ পরিমনির পুলিশের চাকরি হয়নি। 

শনিবার, ২৯ মে, ২০২১

এমন ফরীদির জন্ম আবার কবে হবে? জন্মদিনে শুভ হোক পরকালের জীবন।

 

Humayun Foridi


                                                                              ছবি: সংগ্রহীত 

কিছু তারা জ্বালাতে হয়না এমনি এমনি জ্বলে। কিছু মানুষকে মনে করতে হয়না এমনিতেই মনে হয়ে যায়। আজ মনে পড়ছে তোমায় ,হে প্রিয় হুমায়ুন ফরীদি। শুভ হয়েছে জন্ম তোমার। বেঁচে থাকলে বলতাম- শুভ জন্মদিন। আর এখন বলি -শুভ রাখুক তোমাকে ওপারের মালিক। ভক্ত পাগলদের মনে অম্লান হওয়া শুভেচ্ছাবার্তায় নয়, শুভ দোয়ায় ভোরে উঠুক তোমার আত্মার মাঠ। 

মেধাবী হুমায়ুন ফরীদি অর্থনীতি বিষয়ে পড়াশুনা করেছেন-অন্যতম প্রকৃতির মাঝে বেড়ে উঠা জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে। নিজেকে একজন জাত অভিনেতা হিসেবে পরিচয় করিয়ে দিতে সেখান থেকেই তার পথচলা।  যার একান্ত সহযোগী হিসেবে ছিলেন পুরোধা ব্যক্তিত্ব নাট্যকার সেলিম আল দীন। ম্যাজিক্যাল অভিনেতা ফরীদি ২৫০ টির মতো ছবিতে অভিনয় করে বাঙালিকে ঠাসা বিনোদনে মাতিয়ে রেখেছেন। 

গুণী দামি এই অভিনেতা প্রিয় শহর ঢাকাতেই জন্ম গ্রহণ করেছিলেন ২৯ মে ১৯৫২ সালে।  মৃত্যু নিয়ে সুন্দর ব্যাখ্যা দিয়েছেন ফরীদি, বলেছেন -যারা মরণকে ভয় করে তারা বুদ্ধিমান নয়, এ পৃথিবীতে তারাই সবচেয়ে বেশি মূর্খ যারা মৃত্যুকে ভালোবাসেনা। জীবন অনেক সুন্দর হয়ে উঠবে যদি মানুষ ভাবে মৃত্যুর চেয়ে অনিবার্য সুন্দর কিছু নেই। মৃত্যুকেই ভালোবেসে হুমায়ুন, ২০১২ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি বেড়ে উঠা শহর ঢাকাতেই ওপারের টিকিট কেটে আর ফিরে না আসার বন্দোবস্ত করেন। [left-sidebar]






সোমবার, ১৭ মে, ২০২১

কেন, কিভাবে নোবেলদের মত বেয়াদব একজন শিল্পী হয়ে উঠতে পারে....

 

Nobel Man pic


ছবি: সংগ্রহীত 

পৃথিবীতে সবার আগে এবং সবচেয়ে দ্রুত মানুষের মন জয় করতে পারে একমাত্র সুর দিয়ে, আর সেই সুর হতে পারে ভিন্ন রকম।  আল্লাহ এই কণ্ঠ বা সুর সবাইকে দিলেও মায়ায় বাঁধা কণ্ঠ সবার দেয়না।  আর এটা যারা পায় তারা অবশ্যই একজন ভাগ্যবান মানুষ। কিন্তু মানুষকে আমরা কিভাবে চিন্তা করি আর অবশ্যই সেটা আচরণগত দিক। প্রত্যেক মানুষকে আমরা তার আচরণগত দিকটা যেমন ভালো আশা করি তেমনি একজন কণ্ঠ শিল্পীর কাছথেকে আরো বহুগুন আশা করা অসম্ভবের কিছুনা। এতো কথা বলার একটাই কারণ আর সেই ব্যাক্তিটা হলো আমাদের মাইনুল আহসান নোবেল। যাকে এত প্রশংসা করেও চেম্পিয়ান করেননি। এটা যে একটা টিভি শো চালানোর অন্যতম কঠিন বুদ্ধি তা সাধারণ মানুষের চিন্তার বাইরে। এই অবুঝ সাধারণ মানুষগুলোই নোবেলকে জনপ্রিয়তার জোয়ারে ভাসিয়ে নিয়ে চলছে। আজকাল নর্তকী বানানোর রিয়ালিটির শোতে যেমন সত্যিকারের সুন্দরীর জায়গা হয়না তেমনি কণ্ঠ শিল্পী বানানোর শোতে সত্যিকারের কণ্ঠ উঠে আসেনা।  যা আসে তা নিতান্তই লোক দেখানো। 

কি আছে নোবেলের কণ্ঠে, যে কিনা সব কথা চাবিয়ে চাবিয়ে উচ্চারণ করে, ঠিকমত র উচ্চারণ করতে পারেনা যার সুরে নিজস্ব কোনো মায়া নাই। অন্যের গান ছাড়া কোনো গান মায়া লাগিয়ে গাইতে পারেনা। তার কিসের এত দাম। কে তাকে দাম দেয়, কারা তাকে দাম দেয়, কিসের জন্য দেয়। একথা কেউ ভাবেনি জন্যই আজ লিজেন্ডদেরও গালি শুনতে হয়। কিভাবে এই বেয়াদব মার্কা পোলাপান এতো সাহস পায়। পৃথিবীতে সবচেয়ে বড় নেশা হচ্ছে মানুষের ভালোবাসা পাওয়া। আর এটা যাকে  একবার পেয়ে বসেছে। সে এখান থেকে উঠে আস্তে পারেনা। আর নোবেলের মত নামধারী কণ্ঠ শিল্পী বলে, গান ছেড়ে দিবো। আরে বেটা তুমি গান ছাড়লে কারো কিচ্ছুই হবেনা। পৃথিবীতে এর আগে যত শিল্পীই গান ছাড়ার কথা বলেছে তাদের বেশির ভাগই কথা রাখতে পারেনি। তার কারণ মূলত একটাই -মানুষের ভালোবাসা পাওয়ার নেশা।  

নোবেলকে যে প্রতিষ্ঠান কণ্ঠশিল্পী টাইটেল দিয়েছে তাদের প্রতি আগে থেকেই বাঙালিদের একটা দুর্বলতা রয়েছে। তাই বাঙালী বুঝতেই পারেনি নোবেল হচ্ছে গুটির চাল।  আর সেই প্রতিষ্ঠান যখন নোবেলকে ছিলঃ দিয়েছে কণ্ঠ শিল্পীর তখন বাঙালী ভেবেছে 'আহা কি সোনার জিনিসটাইনা পেলাম'।  আর তার দরুণই নোবেলের এহেন বেয়াদবিও সহ্য করতে হয়।   

রবিবার, ১৬ মে, ২০২১

কেন মিম সবার চেয়ে একটু আলাদা ?

Bidya Sinha Saha MiM


                                                                          ছবি: সংগ্রহীত 

বাংলাদেশে লাক্স তারকা এ পর্যন্ত অনেকেই এসেছেন। তার মধ্যে "বিদ্যা সিনহা মিম" সবার চেয়ে একটু অন্যরকম। ক্যারিয়ারের শুরু থেকে এখন অবধি মিমের কাজের ধারাবাহিকতা সবার নজর কারার মত।সোশ্যাল মিডিয়া আগে যখন খুব বেশি পরিচিত ছিলোনা তখনও মিম সবার প্রিয় ছিলেন।  আর এখন মিমের ফলোয়ার দেখে বুঝা যায় তার অনুসারীর সংখ্যা কত গুলো। পছন্দের মিম এখনো সবার ভালোলাগার মধ্যেই আছেন। ২০০৭–সালে লাক্স-চ্যানেল আই সুপারস্টার প্রতিযোগিতা থেকে উঠে আসা মিম তার নিজ্বস্যতা ধরে রেখেছেন নিজের পরিশ্রম, যোগ্যতা আর ভালো মানসিকতার মানুষের কারণেই। তার জীবনের প্রথম ছবি আমার আছে জল এই ছবিতে অনন্য অভিনয়ের মাধ্যমেই সবার নজর করেন যা পরিচালনা করেছিলেন গুণী হুমায়ুন আহমেদ। 

বাবা-মা বীরেন্দ্র নাথ সাহা ও ছবি সাহা ১০ নভেম্বর ১৯৯২ সালে জন্ম গ্রহণ করা মিমের কাজের কারণে আজ নিজেরদের একজন সফল এবং গর্বিত মনে করেন। ৫ ফুট ৮.৫ ইঞ্চি গড়নের মিমকে যে কারোরই ভালো লাগে তাই ছোট বড় সববয়সী দর্শক মিমের হাড়িতে যা নিজের পথ চলতে সাহস যোগায়। বিদ্যা সিনহা সাহা মীম (বাংলা সাহিত্য) স্নাতক এবং স্নাতকোত্তর পাশ করেছেন। এতো ব্যস্ততার মাঝেও সাহিত্যকে আরো একটু ঝালিয়ে নিতে ২০১২ সালে একুশে গ্রন্থমেলায়  প্রথম গল্পের বই 'শ্রাবণের বৃষ্টিতে ভেজা' প্রকাশিত হয়। এরপর উপন্যাস পূর্ণতা প্রকাশিত হয় তার পরের বছর। তাই মিমকে অভিনেত্রীর পাশাপাশি একজন পরিপূর্ণ সাহিত্যিকও বলা যায়।  
 
মিম সিনেমাতে যেমন নিজের মুন্সিয়ানা দেখিয়েছেন তেমনি বাংলা নাটকেও তার পথ চলা বীরের মতোই।  কারণ সবকটি নাটকেই ভিন্নভিন্ন চরিত্রে নিজেকে মেলে ধরেছেন যা দর্শক মহলে ব্যাপক প্ৰশংসা কুড়িয়েছে। রাজশাহী জেলার বাঘা উপজেলায় জন্ম গ্রহণকারী মিম ২০১৬ সালে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার, টানা ২০০৯-১০ সালে মেরিল-প্রথম আলো পুরস্কার, এবং ২০১৯ সালে ভারত-বাংলাদেশ চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করেন। যে শিল্পীর এত এত গুন তিনিই যে সবার চেয়ে একটু আলাদা হবেন এটাই স্বাভাবিক।