মঙ্গলবার, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৩

তুমি কি কেবলি কেয়া, নাকি তোমার নামে কারো কেউ আছে?

keya payel
   কেয়া পায়েল : ছবি ফেসবুক থেকে নেওয়া 


 💥 সবার ভালোবাসার পাত্র হয়ে - কে জানত এতো তাড়াতাড়ি অচেনা মুখ চেনা হয়ে উঠবে। ক্ষনিকের পৃথিবীতে -না দেখার, না চেনার মাঝেই যেন অন্যরকম এক অনুভূতি। যে তাঁরা লক্ষ কোটিগুন দূরে সেই তাঁরা কেন এতো সবার প্রিয়, কেন এত জোনাকির আলো দিয়ে যায় অবিরত। জানি ভালোবাসার দূরের মানুষ গুলো এমনি বুঝি হয়। 

"কি কবো হৃদয়েরও কথা, দেখলেই ভাষা হারাই 
এমনও স্বজন তুমি , না দেখে না থাকা যায় 
পাষাণও হৃদয় গলে  ভালোবাসায় ডুবে 
তোমাকে দেখার আশায় ঝলমলে রোদ পূবে 
অচেনা পথিক আর যাবেনা পথ খুঁজতে 
তোমাকে যে চায় তুমি তাকে যদি বুঝতে"
কেয়া পায়েল-নিজেকে ব্যস্ত রেখেছেন তার কাজের মাঝেই। এখন একডন ফুরছত পান না-পরিবার এবং কি নিজেকে সময় দেওয়ার। তবু এর মাঝে আনন্দ বিরাজ করছে। ইতোমধ্যেই সবার মনে ঠিক শক্ত করেই বাসা  বেঁধেছেন কেয়া। কারণ তার মেধা আর পরিশ্রম দুটোই তাকে এগিয়ে নিতে সাহায্য করেছে। আর রূপের কথা কি বলিব- যে তাকে দেখে সে এক নজরেই ফিদা হয়ে যায়।   


তিন তারার ত্রিকোণমিতি.....

 

Mim faria mahi


সুন্দরীর তকমা অনেক আগেই পেয়েছেন এই তিন তাঁরা। মিম তো আবার পরীক্ষিত হাজার বালুকণা থেকে ছেঁকে বের করা মুক্তা। ফারিয়া আর মাহি সেই কাতারে না থাকলেও নিজেদের পরিশ্রম দিয়ে মিমের মতোই ভক্তের সংখ্যা সমানে সমান।  বলা যায় এই তিন কন্যার ত্রিকোণমিতি ভালোই চলছে।  

মঙ্গলবার, ১৭ মে, ২০২২

প্রভা দিয়ে আলোকিত প্রভার পৃথিবী

সুন্দরের প্রভায় প্রভার পৃথিবীর প্রেমে মুগ্ধ সবাই :

Sadia jahan Prova
Sadia jahan Prova


অন্ধকার মুছে যে আলো নিয়ে আসে...সেই প্রভা। কয়েক বছর আগে বাংলা মডেল ও অভিনেত্রীদের দেখতে দেখতে যখন একঘেয়েমি চলে এসেছিলো তখন আলোর দ্যুতি নিয়ে প্রভা ছড়িয়ে দিয়েছিলো আজকের এই প্রভা। যার হাসিতে অন্ধ নানা বয়সীর নানা মানুষ। এমন প্রকৃতির মাঝে বিচরণ এখনো এনেকেরই বাকি। তাই প্রভার গতি আসতে কারোরই বাধা থাকেনা। প্রথম একটি বিজ্ঞাপনের মডেল হয়েই সবার নজরে আসে প্রভা যার হাসি দেখেই মুগ্ধ হয়েছিল সবাই। টাঙানো বিলবোর্ড দেখেই অনেকেই জানতে চেয়েছে কে এই মেয়ে। আর এর পর থেকে শুধু সামনেই এগিয়ে এসেছেন এই প্রভা। 


নিজেকে নানা অভিনয়ের মাধ্যমে ভেঙ্গে অনেক প্রতিকূলতার মাঝেও, যেখানে ঘৃণা ছিল অপরিসীম তার মদ্ধ থেকেও উঠে এসেছেন। এখনো অনেক পাগলপ্রায়  ভক্ত তার নতুন নতুন অভিনয় দেখার জন্য অধীর আগ্রহে  বসে থাকেন। 


"তোমাকে যতবার দেখি কেন জানি বারবার দেখতে মন চায় 
জাদু তো জানোনা কাবু হয়েছি রূপের মায়ায় 
এখন আমি অপলক চেয়ে থাকি তোমার দিকে 
ভালোবাসা আর সাহস পায়না হইতে ফিকে 
কবে তুলে নিবে আমায় তোমার ঘরে 
ডাকবে কবে আমায় তুমি আদর করে"


এক নজরে প্রভার কিছু প্রশ্ন:


  • সাদিয়া জাহান প্রভা কে?  
তিনি একজন বাংলাদেশী মডেল এবং টেলিভিশন অভিনেত্রী 
  • তার জন্ম কত সালে?
সাদিয়া জাহান প্রভার জন্ম-১৩ ফেব্রুয়ারি, ১৯৮৮, শরীয়তপুর জেলায় 
  • প্রভার বাবা মার নাম কি? 
পিতা: নাজমুজ জামান মনি, মাতা: শামীম আকতার জাহান
  • বাবা মায়ের পেশা কি?
মা একজন প্রাক্তন উচ্চাঙ্গ সঙ্গীত শিল্পী এবং বাবা একজন ব্যবসায়ী 
  • প্রভার ভাই-বোন কয়জন?
তার দুই বোন ও এক ভাই রয়েছে
  • প্রভা কত সালে এসএসসি পাশ করেন?
২০০৪ সালে 
  • কত সালে এইসএসসি পাশ করেন?
২০০৬ সালে 
  • প্রভার কলেজের নাম কি?
মোহাম্মদপুর প্রিপারেটরি কলেজ 
  • তার বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম কি?
 শান্ত-মরিয়ম ইউনিভার্সিটি অব ক্রিয়েটিভ টেকনোলজিতে তিনি ২০১১ সালে ফ্যাশন ডিজাইনের উপর পড়ালেখা শুরু করেন। এর আগে তিনি  নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয় এর বিবিএ কোর্সে ভর্তি হন কিন্তু তা শেষ করতে পারেননি জীবনের নানা জটিলতার কারণে। 
  • তার জনপ্রিয় কিছু বিজ্ঞাপনের নাম কি কি?
মেরিল হচ্ছে তার প্রথম বিজ্ঞাপন যা তাকে আজকের প্রভা করতে সাহায্য করেছে, এরপর আছে- তিব্বত, পন্ডস, বাংলালিংক, জুঁই তেল ইত্যাদি 

Sadia Jahan Prova


"বুকের ভেতর মহড়া দেওয়া মানুষ আমার তুমি 
আমার মনের মানুষ হওয়ার যোগ্য সবাই কমি 
তোমায় আমি আদর সোহাগ এতই দেব ভরে 
বাপের বাড়ি যাবে চলে আদরের ডরে 
সত্যি বলছি, তুমি আমার আছো বলেই সুখী 
ঝড় ঝাপ্টা বাদল আসলে একসাথে রুখি 
আমার কিছু হলেই তুমি কান্নায় ঝরাও জল 
তার মানে আমার জন্য তুমি অনেক পাগল"



Sadia Jahan Prova


💝পরতে পরতে তোমার দুচোখ পড়তে চাই 
অনেক আদর দিয়ে ভালোবাসতে চাই 
কিছু কথা মুখোমুখি দাঁড়িয়ে বলতে চাই 
কিছু আনন্দ একসাথে দাঁড়িয়ে দেখতে চাই 
অনেক পথ একসাথে চলতে চাই 
বহুদূর একসাথে হাটতে চাই 
ভুলে যেওনা আমি শুধু তোমাকে চাই 💘


সাদিয়া জাহান প্রভার কিছু সুন্দর মুহূর্ত :




Sadia Jahan Prova
শত বাধা পেরিয়ে নিজের আত্মবিশ্বাসে এগিয়ে যাচ্ছে প্রভা 




Sadia Jahan Prova
বাসায় সাদাসিদে ভাবে থাকতে প্রভার খুব পছন্দ 




Sadia Jahan Prova
অলংকার পড়লে প্রভার এল ছড়িয়ে যায় চারদিক 




Sadia Jahan Prova
অন্যরকম মুহূর্ত তৈরী করতে প্রভার জুড়ি নেই 




Sadia Jahan Prova
মাঝে মাঝে নিজেকে বৌ সাজ দিতে ভালোই লাগে প্রভার। তাই একটু বৌ সাজা 




Sadia Jahan Prova
একদিন ভালোলাগার বেগুনী শাড়িতে নিজেকে সাজিয়েছে প্রভা


উল্লেখ্য, ২০০৫ সালে টেলিভিশন বিজ্ঞাপনের মডেল হয়ে প্রভার ক্যারিয়ার শুরু হয়। আর খুব অল্প সময়ের মধ্যেই দর্শকদের পছন্দের কাতারে আসেন তিনি। কিন্তু পরবর্তীতে তার বিয়ে এবং বিচ্ছেদের কারণে তার অভিনয় ও কর্মজীবন বাধাপ্রাপ্ত হয় যা প্রভা এতোদিনেও কাটিয়ে উঠতে পারেনি। 

বৃহস্পতিবার, ২৫ নভেম্বর, ২০২১

বাহারি সাজনে নজর কাটতে পটু মেহ্জাবিন চৌধুরী

মেহ্জাবিন চৌধুরী


তোমাকে চোখের সামনে রেখে 
সারাদিন আদর সোহাগ মেখে 
বড় না যতনে রেখেছি.....
দিনদিন যাচ্ছি আমি ভেসে 
তোমাকেই অনেক ভালোবেসে 
জানো কি কত কাছে আছি.....

সেলেব্রেটিরা কেন এতো বেশি মানুষের কাছের বলে মনে হয়। কেনই বা তাদের খুব কাছের একজন করতে ইচ্ছে করে --এসব প্রশ্ন অনেকের কাছে।  কারণ সেলেব্রেটিদের মানুষ নিজের স্বপ্নের মানুষ মনে করে। আল্লাহর দেওয়া গুনে গুনান্নিত হয়ে উঠা সেই ব্যাক্তিটা সত্যি খুব ভাগ্যবান। তেমনি ভাগ্য নিয়ে জন্মিয়েছেন মেহজাবিন চৌধুরী। 


লাক্স থেকে উঠে আশা মেহজাবিন অত্যন্ত মেধাবী, পরিশ্রমী, সর্বোপরি কর্মঠ। বাংলা নাটকে সমান তালে নিজের মুন্সিগিরি দেখিয়ে অলরেডি প্রত্যেকের মনে খুব শক্ত জায়গা করে নিয়েছে।  নাটকে একেক ধরণের, একেক রমকমের চরিত্রে অভিনয় করে নিজের সুন্দর্য, আর নিজের গুনকে আরো বেশি ভরাট করে তুলছে। মেহজাবিন পোশাকে ছাড় দিতে একচুলও রাজি নয়। আর তিনি যেরকমই পোশাক পড়ুকনা কেন তাকে বেশ মানায়। 


লাক্স সুপারস্টার মেহজাবিন বড় ছেলে নাটকের মাধ্যমে বাংলা নাটকের ইতিহাস গড়েন। মেহজাবিন এ পর্যন্ত অনেক পুরস্কার অর্জন করেছে। তার অবয়ব এমন ভাবে গঠিত যে -যেকোনো পোশাকে তাকে  অন্য এক মেহজাবিনে পরিনত করে। তার বাবা গর্বিত মহিউদ্দিন চৌধুরীর তিন মেয়ের বড় হলেন মেহজাবিন। 


পৈতৃক নিবাস চট্টগ্রামে বেড়ে উঠা মেহজাবিনের বিন্দু মাত্র সময় নেই নিজের জন্য -কাজ নিয়ে এতটাই ব্যস্ত থাকেন তিনি আর সময় সুযোগ পেলেই নিজের রূপ চর্যায় মনোযোগী হন তিনি। মজার বিষয় হলো তার জন্ম হয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাতে - সেই সুবাদে অনেকেই তাকে ইরানি পরী বলেও ডাকে। মাঝে মাঝে মন খারাপ হলেও আবার ভালোও লাগে তার -সবার অজান্তেই তাকে ইরানি সুন্দরী উপাধি দিয়েছে তাই। 


প্রেম করছেন কিনা এমন প্রশ্ন শুনতে শুনতে মেহজাবিন তিনেক তাই ক্লান্ত। যদিও অনেকবার চাওর হয়েছে একজন পরিচালকের সাথে তার বিয়ে হয়েছে। কিন্তু এখন পর্যন্ত নিজের মুখ দিয়ে স্বীকার করেনি তিনি যে বিয়ে বা প্রেম করছেন  . সুন্দরী এই তারকার প্রেমে মজে আছেন হাজার কোটি যুবক। সর্বোপরি একটাই চাওয়া মেহজাবিনের তিনি বাংলা নাটকের প্রথম যেমন ইতিহাস গড়েছেন তেমনি শেষ ইতিহাসটাও তিনিই গড়তে চান। 


শনিবার, ১৩ নভেম্বর, ২০২১

সিঁথির সাধ শাড়িতে

shithi



"পরানে মন বান্ধিও আমি রবো মিশিয়া 
তুমি আমার এক পাশে আরেক পাশে দুনিয়া" 

এমনি ছন্দের জাদুতে নিজের ঠোঁট মিলিয়ে গানের ভুবনে নিজেকে হারাতে যার অনেক বেশি সাধ তিনিই সিনথিয়া সিঁথি। মিষ্টি গড়নের সিঁথি সবার কাছে খুব আদরের। নায়িকাদের মতো তার হাসিতেও যেন মুক্ত ঝরে। তাই নিজের গানের সাথে যখন ঠোঁট মেলাতে হয় তখন আর আলাদা করে মডেলের প্রয়োজন হয় না কারণ গায়িকা আর নায়িকা দুটো যে এক সাথেই তিনি। 

সংগীত পরিবারে জন্ম গ্রহণের সুবাদে ছোট বেলা থেকেই গানের হাতেখড়ি হয়েছে তার। অনেক  পরিচিত সংগীত পরিচালক, বড় গায়কের সাথে গান গাওয়ার সৌভাগ্য হয়েছে সিঁথির। টিভি তে উপস্থাপিকা হিসেবেও সুনাম কুড়িয়েছেন সিনথিয়া সিঁথি। শরীলের গড়ন সুন্দর হওয়ায় সিঁথিকে যে কোনো পোশাকে ফিটফাট সুন্দরী লাগে।  কিন্তু সিঁথির পছন্দ শাড়ি। বাঙালী নারীর বদনে শাড়িতেই মানাবে এটাই স্বাভাবিক। তাই বেশির ভাগ সময়ই নিজেকে শাড়ির আদলেই গুছিয়ে রাখেন। 


"প্যান্ট শার্ট জিন্স পরে ঢংওয়ালী 
শাড়িতেই বুঝা যায় তুমি যে বাঙালী "