আপনি কি মনে মনে অনেক খুশি, যে পরীমনি এবার পুলিশের চাকরিতে যোগদান করেছে।..ঠিক কাজ করেছে, যারা যারা ধর্ষণ কারী তাদের এবার উচিত শিক্ষা হবে। এটা যারা ভাবছে তারা কেমন মানুষ তা আমার। জানা নাই। আসলে ধর্ষণ বলতে আমরা স্বাভাবিক ভাবে বুঝি, একটা মেয়েকে জোরপূর্বক কয়েকজন মিলে সহবাস করেছে। কয়েকজন বললাম এইকারণে কারণ একা কখনো জোরপূর্বক সহবাস করা যায়না। পৃথিবী থেকে অপরাধ কখনো নির্মূল হবেনা- তাই বলে বিচার কাজও বন্ধ রাখা যাবেনা এটাও ঠিক। পরীমণির নস্টালজিক জীবন সম্পর্কে সাধারণ মানুষের ভালোই ধারণা আছে। তাই ডিজিটাল যোগে খবর ছড়ানোর হিড়িকে একটু বেশিই লেখা লেখি হয়েছে যা শুধু মানুষ দেখেছে আর হেসেছে। কারণ পরীমনিকে ধর্ষণ করা লাগেনা--একটু সিস্টেমে গেলেই পাওয়া যায়। এত কথা বললাম এ কারণে-কারন যাকে মানুষ যেরকম ভাবে তাকে সেরকমই বলা উচিত।
কেন আইন গুলো এরকম হয়না যে, যা ঘটবে তাই নিয়ে মামলা হবে -তার উপর ভিত্তি করেই বিচার হবে। কেন-মামলা করতে গেলে বানিয়ে বানিয়ে দোষী করতে হয়। পৃথিবী যেদিন স্বশিক্ষায় শিক্ষিত হবে সেদিন মনে হয় এর পরিবর্তন আস্তে পারে। আসলে পরীমনি কাণ্ডে নারীর প্রতি অমানবিকতার প্রতিবাদ কি করবো তা বুঝতে পারছিনা। কারণ আমার আশেপাশে ভালো নারীর প্রতি অবিচার করতে দেখিনি। এ পর্যন্ত পরীমনির কতজন প্রেমিক আর স্বামী বদল হয়েছে তার হিসাব একমাত্র আমাদের কুনামধন্য নায়িকাই দিতে পারবেন। যেমন মা-ই জানে তার সন্তানের বাবা কে।
বেচারা নাসির উদ্দিন আহমেদ নিশ্চই কোনো পাপ করেছেন তা না হলে নষ্ট মেয়ের নষ্টামিতে আপনার সম্মানহানি হতনা। এই বয়সে এসে সবার সামনে এই বিষয়ে কথা বলাটা সত্যিই অনেক কষ্টের। যাই হোক আপনাদের খুশি করতে পারলাম না কারণ পরিমনির পুলিশের চাকরি হয়নি।
